আমার ব্লগ তালিকা
বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০
কবিতা
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০
কবিতা
একটা ঘর এগিয়ে এল আমার দিকে
সর্বক্ষণ টর্চ দেখিয়ে গেল
ঘূর্ণি বাতাসে ফুলের পাঁপড়ি দুঃখ ভুলে
নৌকার পালে সাহস জোগায়
পাতা হাতে মা ভাতের অপেক্ষায়
একটা তালপাতার চাঁটাই দরকার
ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন বাবা
ঝুঁকে পড়া শরীরে সাজিয়ে দিলেন
এক পংক্তি দু পংক্তি...
পুরো ঘর জুড়ে শ্বাস-বায়ুর চলাচল
বাবা কান্ড হয়ে ধারণ করছেন আমাদের বংশপুরুষ...
আলো নেভা দুর্দিনে কাঁপছে শহর
ছাদে শুকায় সস্তা ঘর-বাড়ি
কুমারী ছুটে ছুটে প্রান্তর কাঁপিয়ে এসে
নির্জন শাড়ি মেলে ধরে বুকে
বৈদ্যুতিক তারে ঘর-মোছা কাপড় ঝুলে
আশ্চর্য মানুষ তুই!
টিভি চ্যানেলে রঙবাতি জ্বলে
মেঘে মেঘে কথা হয়ে যায়
কালের সৌম্যরূপ ঢুকে পড়ে ঘরে
পথিকের চোখ নিভু নিভু
এহেন দিনে পাখি দুটি ধরা পড়ে।
নীচের দিকে তাকাই--একগুচ্ছ ধানের শীষ
রেখে গেছে মলিন বসন লক্ষ্মী
উৎসবের ধান
আলোছায়া রোদ জুড়ে বসে আছে উঠোন
ঠায় দাঁড়িয়ে লৌকিকতা
নীচুস্বরে বাতাস খুলে দেয় দরজা
দু-পা সিঁড়ি ও অনুভবে
উঠোন গোবরজল শুদ্ধ হল।
চাঁদ এসে জলে পড়লে ফুঁপিয়ে উঠে তল
আমি খড়কুটো হয়ে ভাসতে থাকি
পূর্ণিমার জলে
এতো হাসাহাসি জলের মধ্যে ভালো দেখায় না
কত স্বর নেমে আসে স্পর্শ, কমা, কোলনে
আকাশের মেঘ ভয় পেয়ে লুকিয়ে রাখে চাঁদ
পূর্ণিমা বন্দর বদলায়
নিস্তেজ জলে চলে আমরন অনশন।
অন্ধ সময় বৌদ্ধগুহা ভেদ করে
ভেঙে ফেলে মানবিক দেওয়াল
মাটির শব্দে চাপা পড়ে প্রতিমা-চোখ
ঝড়ের বাসায় পালক উড়ে আসে
রঙের প্রলেপে ডানা ভারী হয়
সময়ের সাথে মায়ায় আবিষ্ট সূর্যদেব
রাত্রি ভেবে শিস দেয় একে অপরকে
মায়া কাক ও মেয়ে কাক
কবিতা
কবিতা
কবিতা
কবিতা
৪ ।। ∆ জলযীশু ∆
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০
কবিতা
শাপলা পর্ব - ৫
কবি রাজেশ্বরী ষড়ংগী এর কবিতা-
১।। • সনদ •
প্রতিটি সর্বনাম ছায়াবৎ ধ্বনি
কিছুই থাকেনা বাকি- নামমাত্র
মৃত কথা, মন্ত্রপুষ্প, ছায়া ভাসে জলে
মাটির দাওয়ায় ওড়ে লতানো চড়ুই
হৃদয়ে বেঁধে রাখো তার
দু-একটি বকুল ফুলের আলো
তোমার সনদ পাঠাও মধ্য আষাঢ়ে
জানিনা কিভাবে এই মন্দার বাতাসে
সর্বশেষ দ্রুতিটুকু ছুঁয়ে
জন্মান্ধ ভ্রমরেরা ওড়ে
২।। • পরজন্ম •
দেখো প্রিয়,
এ ঝড় উত্তরণের
সামগান শ্যামাঙ্গী শষ্যের
করকুন্তলে ভরে দাও সকল আলো
উচ্চারণে ভরে দাও প্রকোষ্ঠ আধার
শরীর থেকে ভেসে আসে জলের মন্ত্র, ক্ষমার আড়াল
বিদ্যুৎঘন এই মেঘ মোহনায়
সমস্ত চুম্বনরাশি ঢেলে দাও আদিগন্তে
পরজন্মহীন এই আলোর জাহাজে
৩।। • সমর্পন •
দেহকাল ধরে ফুটে আছে ফুল
তার সমর্পণ কোথাও রাখিনি,
উৎসর্গপত্রটুকু ছাড়া ।
মেঘের উপত্যকা নেমে এলে-
দু'চোখে অন্ধকার খুলে বসি।
ক্লান্তির পায়ে বাঁধা থাকে গতজন্মের কথা।
একটি মোহিতসুর ডেকে ওঠে বাঁশির আড়ালে।
৪।। • গন্ধ •
নদীকে জানাই
গাছ মাটি আর অশ্রুর কথা।
নদী আমার পূর্বজন্মের আলো।
মায়ের শরীরের গন্ধ নিয়ে বয়ে যাচ্ছে
জন্ম-জন্মান্তর
অবগাহনের সব ছাই ভেসে যাচ্ছে স্রোতে ও জলে।
৫।। • জীর্ণ ধুলোর দিন •
জীর্ণ ধুলোর দিন শেষ হলে অনন্ত গ্রহণ বেঁধে চলে যাবো শিমুলের বনে।
অতল শূন্যকে
শিল্পসম্মত খুন করে ফেলে গেছে যারা,
তারাও, শিরায় শিরায় তীব্র অন্ধকার টেনে বেঁচে থাকে
নিমগ্ন বকের ঠোঁটে।
নাভিকুণ্ডের পাশে সুগন্ধী আলো জ্বেলে বসে আছি জ্বরা ও মৃত্যুর দিকে--
জীর্ণ ধুলোর দিন শেষ হলে, অনন্ত গ্রহণ বেঁধে চলে যাবো শিমুলের বনে।
অলংকরণ - ইন্দ্রানী পন্ডা
""""""""""""""""""""""""""""”""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
কবিতা
কবিতা
কবিতা
কবিতা
কবিতা
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২০
কবিতা
কবিতা
কবিতা
কবিতা
বসন্ত বৈষ্ণবী পর্ব-৩ হীরক বন্দ্যোপাধ্যায় এর কবিতা - ∆ লুকোচুরি ক্রমশ রাত গভীর হলে অন্ধকারে আমাদের আজন্মের লুকোচুরি শুরু হয় ...